*গোলাপ হোসেন, জয়পুরহাট প্রতিনিধি*
*তারিখ: ৩০/০৭/২০২৬*
*কালাই, জয়পুরহাট:* খোলা বাজারে ন্যায্যমূল্যে বিক্রির জন্য বরাদ্দ আটা আত্মসাতের অভিযোগে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তাসহ ৩ জনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সেইসঙ্গে ঘটনার তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে খাদ্য অধিদপ্তর।
বরাদ্দ করা আটা কম দেওয়া নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তার *‘সবাই মিলেমিশে খাই’* মন্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ালে বুধবার তাদের বরখাস্ত করা হয় বলে জানান জয়পুরহাট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক *শাকিল আহমেদ*।
*বরখাস্ত হওয়া ৩ জন হলেন:*
1. কালাই উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা *হুমায়ূন আহম্মেদ*
2. উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক *মো. মাহমুদুন্নবী সরকার*
3. সহকারী উপখাদ্য পরিদর্শক *আব্দুল মোমিন*
খাদ্য অধিদপ্তর থেকে জানা গেছে, ওএমএস কর্মসূচির আওতায় কালাই উপজেলায় প্রতিদিন *২ টন আটা ও ২ টন চাল* বরাদ্দ রয়েছে। একজন সুবিধাভোগী ২৭০ টাকায় ৫ কেজি আটা ও ৫ কেজি চাল কিনতে পারেন।
তবে সুবিধাভোগীদের অভিযোগ, প্রতিদিন বিক্রয়কেন্দ্রে ৪০ বস্তা আটা থাকার কথা থাকলেও রাখা হতো মাত্র ২০ বস্তা। ফলে অনেক নিম্নআয়ের মানুষ লাইনে দাঁড়িয়েও আটা না পেয়ে ফিরে যেতেন। অবশিষ্ট ২০ বস্তা খোলা বাজারে বেশি দামে বিক্রি করে আত্মসাৎ করা হতো বলে অভিযোগ।
এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে গেলে গোপনে ধারণ করা ভিডিওতে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তাকে বলতে শোনা যায়, _“এত কথা কওয়া লাগবে ক্যা... সবাই মিলেমিশে খাই। ভাই-ব্রাদার মানুষ, সবাই মিলে মিশে খামু।”_ ভিডিওটি ছড়ালে সমালোচনার মুখে পড়ে খাদ্য বিভাগ।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শাকিল আহমেদ বলেন, প্রাথমিক তদন্তে আটা আত্মসাৎ এবং দায়িত্বে অবহেলার সত্যতা পাওয়ায় মহাপরিচালকের নির্দেশে তাদের সাময়িক বরখাস্ত ও প্রত্যাহার করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিভাগীয় ব্যবস্থা ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
জয়পুরহাটের কালাইয়ে ওএমএস এর আটা আত্মসাতের অভিযোগে খাদ্য কর্মকর্তাসহ ৩ জন বরখাস্ত।
গরীবের হকের ২০ বস্তা আটা গায়েবের অভিযোগ।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬
*গোলাপ হোসেন, জয়পুরহাট প্রতিনিধি*
*তারিখ: ৩০/০৭/২০২৬*
*কালাই, জয়পুরহাট:* খোলা বাজারে ন্যায্যমূল্যে বিক্রির জন্য বরাদ্দ আটা আত্মসাতের অভিযোগে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তাসহ ৩ জনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সেইসঙ্গে ঘটনার তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে খাদ্য অধিদপ্তর।
বরাদ্দ করা আটা কম দেওয়া নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তার *‘সবাই মিলেমিশে খাই’* মন্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ালে বুধবার তাদের বরখাস্ত করা হয় বলে জানান জয়পুরহাট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক *শাকিল আহমেদ*।
*বরখাস্ত হওয়া ৩ জন হলেন:*
1. কালাই উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা *হুমায়ূন আহম্মেদ*
2. উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক *মো. মাহমুদুন্নবী সরকার*
3. সহকারী উপখাদ্য পরিদর্শক *আব্দুল মোমিন*
খাদ্য অধিদপ্তর থেকে জানা গেছে, ওএমএস কর্মসূচির আওতায় কালাই উপজেলায় প্রতিদিন *২ টন আটা ও ২ টন চাল* বরাদ্দ রয়েছে। একজন সুবিধাভোগী ২৭০ টাকায় ৫ কেজি আটা ও ৫ কেজি চাল কিনতে পারেন।
তবে সুবিধাভোগীদের অভিযোগ, প্রতিদিন বিক্রয়কেন্দ্রে ৪০ বস্তা আটা থাকার কথা থাকলেও রাখা হতো মাত্র ২০ বস্তা। ফলে অনেক নিম্নআয়ের মানুষ লাইনে দাঁড়িয়েও আটা না পেয়ে ফিরে যেতেন। অবশিষ্ট ২০ বস্তা খোলা বাজারে বেশি দামে বিক্রি করে আত্মসাৎ করা হতো বলে অভিযোগ।
এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে গেলে গোপনে ধারণ করা ভিডিওতে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তাকে বলতে শোনা যায়, _“এত কথা কওয়া লাগবে ক্যা... সবাই মিলেমিশে খাই। ভাই-ব্রাদার মানুষ, সবাই মিলে মিশে খামু।”_ ভিডিওটি ছড়ালে সমালোচনার মুখে পড়ে খাদ্য বিভাগ।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শাকিল আহমেদ বলেন, প্রাথমিক তদন্তে আটা আত্মসাৎ এবং দায়িত্বে অবহেলার সত্যতা পাওয়ায় মহাপরিচালকের নির্দেশে তাদের সাময়িক বরখাস্ত ও প্রত্যাহার করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিভাগীয় ব্যবস্থা ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
জয়পুরহাটের কালাইয়ে ওএমএস এর আটা আত্মসাতের অভিযোগে খাদ্য কর্মকর্তাসহ ৩ জন বরখাস্ত।
গরীবের হকের ২০ বস্তা আটা গায়েবের অভিযোগ।
