স্টাফ রিপোর্টার | ঢাকা
রাজধানীর কাফরুল থানার মিরপুর-১৩ এলাকায় সন্ত্রাসীদের এলোপাতাড়ি গুলিতে দুইজন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। নিহতরা হলেন কাফরুল থানা যুবদলের সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান এবং বিএনপি কর্মী মো. ইউসুফ। এ ঘটনায় পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় জনতার হাতে এক অস্ত্রধারী আটক হয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ হয়েছে।
শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে মিরপুর-১৩ এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, হাফিজুর রহমানসহ কয়েকজন এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় তিনজন অস্ত্রধারী এসে তাদের লক্ষ্য করে অতর্কিতভাবে গুলি চালায়। গুলিতে ঘটনাস্থলেই তারা গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনই মারা যান।
হামলার পরপরই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় জনতা ধাওয়া করে এক অস্ত্রধারীকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে কাফরুল থানা পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পুলিশ আটক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং হামলার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।
ঘটনার খবর পেয়ে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ নেন এবং দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত পলাতক হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
রাজধানীর মিরপুর-১৩ এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত কাফরুল থানা যুবদলের সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান ও বিএনপি কর্মী মো. ইউসুফকে হাসপাতালে নেওয়ার পরের দৃশ্য।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
স্টাফ রিপোর্টার | ঢাকা
রাজধানীর কাফরুল থানার মিরপুর-১৩ এলাকায় সন্ত্রাসীদের এলোপাতাড়ি গুলিতে দুইজন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। নিহতরা হলেন কাফরুল থানা যুবদলের সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান এবং বিএনপি কর্মী মো. ইউসুফ। এ ঘটনায় পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় জনতার হাতে এক অস্ত্রধারী আটক হয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ হয়েছে।
শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে মিরপুর-১৩ এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, হাফিজুর রহমানসহ কয়েকজন এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় তিনজন অস্ত্রধারী এসে তাদের লক্ষ্য করে অতর্কিতভাবে গুলি চালায়। গুলিতে ঘটনাস্থলেই তারা গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনই মারা যান।
হামলার পরপরই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় জনতা ধাওয়া করে এক অস্ত্রধারীকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে কাফরুল থানা পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পুলিশ আটক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং হামলার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।
ঘটনার খবর পেয়ে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ নেন এবং দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত পলাতক হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
রাজধানীর মিরপুর-১৩ এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত কাফরুল থানা যুবদলের সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান ও বিএনপি কর্মী মো. ইউসুফকে হাসপাতালে নেওয়ার পরের দৃশ্য।
