নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার নন্দীগ্রামে ৪৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ হোসেন আলী (৩৬) নামে এক মাদককারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে নন্দীগ্রাম পৌর এলাকার নন্দীগ্রাম কলেজপাড়ায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বগুড়া জেলা কার্যালয়ের ‘খ’ সার্কেল সান্তাহারের পরিদর্শক সামসুল আলমের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত হোসেন আলী নন্দীগ্রাম পৌর এলাকার নন্দীগ্রাম কলেজপাড়ার বাসিন্দা হাফিজুর রহমানের ছেলে।
এ ঘটনায় শনিবার দুপুরে নন্দীগ্রাম থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়ায় তাকে বগুড়া আদালতে পাঠানো হয়।
নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তারিকুল ইসলাম বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে মাদককারবারি হোসেন আলী ৪৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার হয়েছে। তার বিরুদ্ধে থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা হয়েছে। এরপর তাকে বগুড়া আদালতে পাঠানো হয়। উল্লেখ্য, হোসেন আলী এর আগেও ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার হয়েছিলো। পরে আদালত থেকে সে জামিনে এসে আবারও মাদক ব্যবসা শুরু করে।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬
নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার নন্দীগ্রামে ৪৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ হোসেন আলী (৩৬) নামে এক মাদককারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে নন্দীগ্রাম পৌর এলাকার নন্দীগ্রাম কলেজপাড়ায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বগুড়া জেলা কার্যালয়ের ‘খ’ সার্কেল সান্তাহারের পরিদর্শক সামসুল আলমের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত হোসেন আলী নন্দীগ্রাম পৌর এলাকার নন্দীগ্রাম কলেজপাড়ার বাসিন্দা হাফিজুর রহমানের ছেলে।
এ ঘটনায় শনিবার দুপুরে নন্দীগ্রাম থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়ায় তাকে বগুড়া আদালতে পাঠানো হয়।
নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তারিকুল ইসলাম বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে মাদককারবারি হোসেন আলী ৪৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার হয়েছে। তার বিরুদ্ধে থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা হয়েছে। এরপর তাকে বগুড়া আদালতে পাঠানো হয়। উল্লেখ্য, হোসেন আলী এর আগেও ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার হয়েছিলো। পরে আদালত থেকে সে জামিনে এসে আবারও মাদক ব্যবসা শুরু করে।
