জাজিরা প্রতিনিধি:
শরীয়তপুরের জাজিরা ডিগ্রি কলেজকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশিত বিভিন্ন স্ট্যাটাস ও অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
সংবাদ সম্মেলনে কলেজ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, কলেজে চুরি, চাঁদাবাজি, তথ্য সন্ত্রাস, নিয়মবহির্ভূত অধ্যক্ষ নিয়োগ এবং আর্থিক অনিয়মের যেসব অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে, তার অধিকাংশই ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
বক্তারা বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল দীর্ঘদিন ধরে কলেজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। তারা অভিযোগ করেন, মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে শিক্ষা কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরির অপচেষ্টা চলছে।
তারা আরও বলেন, কলেজের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্টের উদ্দেশ্যে পরিচালিত অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারিত অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্তেরও দাবি জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলন থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা, শিক্ষাকে রাজনৈতিক বা ব্যক্তিস্বার্থের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার না করা এবং সব ধরনের অপপ্রচার, চাঁদাবাজি ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার বন্ধে প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত বক্তারা বলেন, কোনো অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা উচিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাচাই-বাছাই ছাড়া বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য ক্ষতিকর।
উল্লেখ্য, সংবাদ সম্মেলনে কলেজ কর্তৃপক্ষ তাদের অবস্থান তুলে ধরেছে। অপরদিকে, পূর্বে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য পৃথকভাবে প্রকাশিত হয়েছে বা ভবিষ্যতে পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে, যাতে সংবাদে সব পক্ষের বক্তব্য প্রতিফলিত হয়।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
জাজিরা প্রতিনিধি:
শরীয়তপুরের জাজিরা ডিগ্রি কলেজকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশিত বিভিন্ন স্ট্যাটাস ও অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
সংবাদ সম্মেলনে কলেজ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, কলেজে চুরি, চাঁদাবাজি, তথ্য সন্ত্রাস, নিয়মবহির্ভূত অধ্যক্ষ নিয়োগ এবং আর্থিক অনিয়মের যেসব অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে, তার অধিকাংশই ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
বক্তারা বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল দীর্ঘদিন ধরে কলেজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। তারা অভিযোগ করেন, মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে শিক্ষা কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরির অপচেষ্টা চলছে।
তারা আরও বলেন, কলেজের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্টের উদ্দেশ্যে পরিচালিত অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারিত অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্তেরও দাবি জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলন থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা, শিক্ষাকে রাজনৈতিক বা ব্যক্তিস্বার্থের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার না করা এবং সব ধরনের অপপ্রচার, চাঁদাবাজি ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার বন্ধে প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত বক্তারা বলেন, কোনো অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা উচিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাচাই-বাছাই ছাড়া বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য ক্ষতিকর।
উল্লেখ্য, সংবাদ সম্মেলনে কলেজ কর্তৃপক্ষ তাদের অবস্থান তুলে ধরেছে। অপরদিকে, পূর্বে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য পৃথকভাবে প্রকাশিত হয়েছে বা ভবিষ্যতে পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে, যাতে সংবাদে সব পক্ষের বক্তব্য প্রতিফলিত হয়।
