*সারওয়ার আলম মুকুল, কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি*
*তারিখ: ৩০/০৭/২০২৬*
*কাউনিয়া, রংপুর:* সরকারি অর্থের স্বচ্ছ ও জবাবদিহি মূলক ব্যবহারের দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন কাউনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা *পাপিয়া সুলতানা*। উপজেলায় প্রায় *সাড়ে ৮ কিলোমিটার* দীর্ঘ দুটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করে অব্যয়িত *৯ লাখ ২৫ হাজার ৩৩৭ টাকা* সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছেন তিনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কুর্শা ইউনিয়নের *সিঙ্গামারি দোলায় ৪.৭ কিলোমিটার* এবং হারাগাছ ইউনিয়নের *ধুমনদীতে ৩.৭ কিলোমিটার* খাল পুনঃখননের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়।
গত *১২ মে* রংপুরের জেলা প্রশাসক *মোহাম্মদ রুহুল আমিন* প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। প্রকল্পের মেয়াদ ছিল ৩০ জুন পর্যন্ত। তবে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত এবং স্বল্প সময়ের কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরো কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি।
৩০ জুন পর্যন্ত *ধুমনদী খালের ৭৫%* এবং *সিঙ্গামারি দোলা খালের ৪১.৯১%* কাজ সম্পন্ন হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শ্রমিকদের মজুরি, বৃক্ষরোপণ, পরিবহনসহ অন্যান্য ব্যয় পরিশোধের পর অব্যয়িত *৯৯ লাখ ২৫ হাজার ৩৩৭ টাকা* সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা *মেজবাহুর রহমান* বলেন, “সরকারি অর্থ জনগণের আমানত। এ অর্থ ব্যয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় যে অর্থ ব্যয় হয়নি, তা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।”
তবে প্রকল্পটি অসম্পূর্ণ থাকায় স্থানীয় কৃষকরা পুরোপুরি উপকৃত হতে পারেননি। তাঁদের দাবি, প্রয়োজনে পুনরায় বরাদ্দ নিয়ে খাল পুনঃখনন কাজ সম্পন্ন করা হোক।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
*সারওয়ার আলম মুকুল, কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি*
*তারিখ: ৩০/০৭/২০২৬*
*কাউনিয়া, রংপুর:* সরকারি অর্থের স্বচ্ছ ও জবাবদিহি মূলক ব্যবহারের দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন কাউনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা *পাপিয়া সুলতানা*। উপজেলায় প্রায় *সাড়ে ৮ কিলোমিটার* দীর্ঘ দুটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করে অব্যয়িত *৯ লাখ ২৫ হাজার ৩৩৭ টাকা* সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছেন তিনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কুর্শা ইউনিয়নের *সিঙ্গামারি দোলায় ৪.৭ কিলোমিটার* এবং হারাগাছ ইউনিয়নের *ধুমনদীতে ৩.৭ কিলোমিটার* খাল পুনঃখননের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়।
গত *১২ মে* রংপুরের জেলা প্রশাসক *মোহাম্মদ রুহুল আমিন* প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। প্রকল্পের মেয়াদ ছিল ৩০ জুন পর্যন্ত। তবে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত এবং স্বল্প সময়ের কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরো কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি।
৩০ জুন পর্যন্ত *ধুমনদী খালের ৭৫%* এবং *সিঙ্গামারি দোলা খালের ৪১.৯১%* কাজ সম্পন্ন হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শ্রমিকদের মজুরি, বৃক্ষরোপণ, পরিবহনসহ অন্যান্য ব্যয় পরিশোধের পর অব্যয়িত *৯৯ লাখ ২৫ হাজার ৩৩৭ টাকা* সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা *মেজবাহুর রহমান* বলেন, “সরকারি অর্থ জনগণের আমানত। এ অর্থ ব্যয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় যে অর্থ ব্যয় হয়নি, তা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।”
তবে প্রকল্পটি অসম্পূর্ণ থাকায় স্থানীয় কৃষকরা পুরোপুরি উপকৃত হতে পারেননি। তাঁদের দাবি, প্রয়োজনে পুনরায় বরাদ্দ নিয়ে খাল পুনঃখনন কাজ সম্পন্ন করা হোক।
