মশিউর রহমান, ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
ময়মনসিংহের ত্রিশালে প্রতিবন্ধী শফিকুল ইসলামের অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
শনিবার (৫ জুলাই) সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত সিদ্দিকী তাঁর কার্যালয়ে প্রতিবন্ধী
শফিকুল ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের আমন্ত্রণ জানিয়ে খোঁজখবর নেন এবং বিভিন্ন ধরনের সহায়তা প্রদান করেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ত্রিশাল উপজেলার ধানীখোলা ইউনিয়নের মধ্য ভাটিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা শফিকুল ইসলামের পরিবারের ছয় সদস্যের মধ্যে তিনজনই প্রতিবন্ধী। চরম দারিদ্র্যের কারণে একসময় তিনি ভিক্ষাবৃত্তির মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করলেও বর্তমানে একটি ছোট চায়ের দোকান পরিচালনা করে পরিবারের ভরণপোষণের চেষ্টা করছেন।
এ সময় ইউএনও আরাফাত সিদ্দিকী শফিকুলের ক্ষুদ্র ব্যবসার পুঁজি হিসেবে দোকানের প্রয়োজনীয় উপকরণ ও সামগ্রী কিনে দেন। পাশাপাশি পরিবারের প্রতিবন্ধী সদস্যদের প্রতিবন্ধী পরিচয়পত্র (কার্ড) করে দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত সিদ্দিকী বলেন, “সমাজের অসহায় মানুষের প্রতি আমাদের দায় ও দায়িত্ব রয়েছে। রাষ্ট্রের সুষম ও টেকসই উন্নয়নের জন্য সবাইকে সঙ্গে নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে।” তিনি সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের শফিকুলের মতো অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
মশিউর রহমান
ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬
মশিউর রহমান, ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
ময়মনসিংহের ত্রিশালে প্রতিবন্ধী শফিকুল ইসলামের অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
শনিবার (৫ জুলাই) সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত সিদ্দিকী তাঁর কার্যালয়ে প্রতিবন্ধী
শফিকুল ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের আমন্ত্রণ জানিয়ে খোঁজখবর নেন এবং বিভিন্ন ধরনের সহায়তা প্রদান করেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ত্রিশাল উপজেলার ধানীখোলা ইউনিয়নের মধ্য ভাটিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা শফিকুল ইসলামের পরিবারের ছয় সদস্যের মধ্যে তিনজনই প্রতিবন্ধী। চরম দারিদ্র্যের কারণে একসময় তিনি ভিক্ষাবৃত্তির মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করলেও বর্তমানে একটি ছোট চায়ের দোকান পরিচালনা করে পরিবারের ভরণপোষণের চেষ্টা করছেন।
এ সময় ইউএনও আরাফাত সিদ্দিকী শফিকুলের ক্ষুদ্র ব্যবসার পুঁজি হিসেবে দোকানের প্রয়োজনীয় উপকরণ ও সামগ্রী কিনে দেন। পাশাপাশি পরিবারের প্রতিবন্ধী সদস্যদের প্রতিবন্ধী পরিচয়পত্র (কার্ড) করে দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত সিদ্দিকী বলেন, “সমাজের অসহায় মানুষের প্রতি আমাদের দায় ও দায়িত্ব রয়েছে। রাষ্ট্রের সুষম ও টেকসই উন্নয়নের জন্য সবাইকে সঙ্গে নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে।” তিনি সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের শফিকুলের মতো অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
মশিউর রহমান
ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
