রিপোর্ট - মৃধা বেলাল
আদালত মানেই শুধু রায় নয়, আদালত হতে পারে মানুষের ভরসার জায়গা। এমনই এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন বরগুনা জেলার আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট *ইফতি হাসান ইমরান*।
তার বিচক্ষণতা, মানবিক বিচারিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগে আমতলীর সাধারণ মানুষ নতুন করে আইনের প্রতি আস্থা ফিরে পাচ্ছেন।
।বিচক্ষণ বিচারিক কার্যক্রম।
আদালত পরিচালনায় ম্যাজিস্ট্রেট ইফতি হাসান ইমরান সবসময় দ্রুততা ও স্বচ্ছতাকে প্রাধান্য দেন। মামলার জট কমিয়ে বিচারপ্রার্থীদের হয়রানি কমানোই তার মূল লক্ষ্য।
আদালত সূত্রে জানা যায়, তিনি প্রতিটি মামলার শুনানিতে পক্ষদ্বয়ের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং আইনের কঠোর প্রয়োগের পাশাপাশি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেন। তার বিচারিক সিদ্ধান্তে যেমন থাকে আইনের কঠোরতা, তেমনি থাকে মানবিকতার ছোঁয়া।
।লিগ্যাল এইড ও মধ্যস্থতায় নতুন দিগন্ত।
বিজ্ঞ এই ম্যাজিস্ট্রেট বিশ্বাস করেন, সব বিরোধের সমাধান শাস্তি নয়, অনেক ক্ষেত্রে আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব।
তাই তিনি আমতলীতে লিগ্যাল এইডের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করেছেন। আর্থিকভাবে অসচ্ছল ও আইনি সহায়তা বঞ্চিত মানুষদের বিনামূল্যে আইনি পরামর্শ ও সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি অগ্রণী ভূমিকা রাখছেন।
বিশেষ করে পারিবারিক বিরোধ, ভরণপোষণ, দেনমোহর ও ছোটখাটো দেওয়ানি বিরোধে তিনি নিজে মধ্যস্থতার উদ্যোগ নেন। তার মধ্যস্থতায় বহু পরিবার ভেঙে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে এবং আদালতের বাইরেই সম্মানজনকভাবে বিরোধের নিষ্পত্তি হয়েছে। এতে মামলার চাপও কমেছে, সময় ও অর্থও সাশ্রয় হয়েছে বিচারপ্রার্থীদের।
।মানুষের মুখে মুখে প্রশংসা।
আমতলীর আইনজীবী ও সেবাগ্রহীতারা বলছেন, "স্যার শুধু রায় দেন না, মানুষকে বোঝান। গরিব-দুঃখী মানুষ যেন ভয় না পেয়ে আদালতে আসতে পারে সেই পরিবেশ তিনি তৈরি করেছেন। লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে অনেকেই বিনা খরচে ন্যায়বিচার পাচ্ছে।"
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি সামাজিক শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে ম্যাজিস্ট্রেট ইফতি হাসান ইমরানের এই মানবিক উদ্যোগ আমতলীবাসীর কাছে অনুকরণীয় হয়ে উঠেছে।
বিচারপ্রার্থীরা সরাসরি আদালতে এসে লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে বিনামূল্যে আইনি সহায়তা নিতে পারবেন।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রিপোর্ট - মৃধা বেলাল
আদালত মানেই শুধু রায় নয়, আদালত হতে পারে মানুষের ভরসার জায়গা। এমনই এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন বরগুনা জেলার আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট *ইফতি হাসান ইমরান*।
তার বিচক্ষণতা, মানবিক বিচারিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগে আমতলীর সাধারণ মানুষ নতুন করে আইনের প্রতি আস্থা ফিরে পাচ্ছেন।
।বিচক্ষণ বিচারিক কার্যক্রম।
আদালত পরিচালনায় ম্যাজিস্ট্রেট ইফতি হাসান ইমরান সবসময় দ্রুততা ও স্বচ্ছতাকে প্রাধান্য দেন। মামলার জট কমিয়ে বিচারপ্রার্থীদের হয়রানি কমানোই তার মূল লক্ষ্য।
আদালত সূত্রে জানা যায়, তিনি প্রতিটি মামলার শুনানিতে পক্ষদ্বয়ের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং আইনের কঠোর প্রয়োগের পাশাপাশি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেন। তার বিচারিক সিদ্ধান্তে যেমন থাকে আইনের কঠোরতা, তেমনি থাকে মানবিকতার ছোঁয়া।
।লিগ্যাল এইড ও মধ্যস্থতায় নতুন দিগন্ত।
বিজ্ঞ এই ম্যাজিস্ট্রেট বিশ্বাস করেন, সব বিরোধের সমাধান শাস্তি নয়, অনেক ক্ষেত্রে আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব।
তাই তিনি আমতলীতে লিগ্যাল এইডের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করেছেন। আর্থিকভাবে অসচ্ছল ও আইনি সহায়তা বঞ্চিত মানুষদের বিনামূল্যে আইনি পরামর্শ ও সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি অগ্রণী ভূমিকা রাখছেন।
বিশেষ করে পারিবারিক বিরোধ, ভরণপোষণ, দেনমোহর ও ছোটখাটো দেওয়ানি বিরোধে তিনি নিজে মধ্যস্থতার উদ্যোগ নেন। তার মধ্যস্থতায় বহু পরিবার ভেঙে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে এবং আদালতের বাইরেই সম্মানজনকভাবে বিরোধের নিষ্পত্তি হয়েছে। এতে মামলার চাপও কমেছে, সময় ও অর্থও সাশ্রয় হয়েছে বিচারপ্রার্থীদের।
।মানুষের মুখে মুখে প্রশংসা।
আমতলীর আইনজীবী ও সেবাগ্রহীতারা বলছেন, "স্যার শুধু রায় দেন না, মানুষকে বোঝান। গরিব-দুঃখী মানুষ যেন ভয় না পেয়ে আদালতে আসতে পারে সেই পরিবেশ তিনি তৈরি করেছেন। লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে অনেকেই বিনা খরচে ন্যায়বিচার পাচ্ছে।"
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি সামাজিক শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে ম্যাজিস্ট্রেট ইফতি হাসান ইমরানের এই মানবিক উদ্যোগ আমতলীবাসীর কাছে অনুকরণীয় হয়ে উঠেছে।
বিচারপ্রার্থীরা সরাসরি আদালতে এসে লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে বিনামূল্যে আইনি সহায়তা নিতে পারবেন।
