গাইবান্ধা সদর উপজেলার ত্রিমোহিনী এলাকায় রুমন হত্যাকাণ্ডের মূল আসামিসহ দুজনকে গাজীপুর থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। র্যাবের সহায়তায় গত ১ জুলাই ২০২৬ তারিখে গাজীপুরের মাওনা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— এএইচএম রেজাউল করিম ছানা (৫৫) এবং মো: নাসিরুল আহসান আকিব (৩৫)। তারা উভয়ই গাইবান্ধা সদর থানার পূর্ব পিয়ারাপুর গ্রামের বাসিন্দা। এএইচএম রেজাউল করিম ছানার পিতার নাম মৃত ফয়জার রহমান ওরফে মধু মিয়া এবং নাসিরুল আহসান আকিব তার ছেলে।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ৭ জুন ২০২৬ তারিখে গাইবান্ধা সদর উপজেলার ত্রিমোহিনী এলাকার পূর্ব পিয়ারাপুরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুই পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই সংঘর্ষে রুমন নামে এক ব্যক্তি নিহত হন। এ ঘটনায় সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।
ঘটনার পর থেকে গাইবান্ধার পুলিশ সুপার মো: জসিম উদ্দিনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আসামিদের গ্রেফতারে বিশেষ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় প্রযুক্তির সহায়তায় ও র্যাবের সহযোগিতায় ঘটনার মূল হোতাদের গাজীপুর থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
এ বিষয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম এবং সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬
গাইবান্ধা সদর উপজেলার ত্রিমোহিনী এলাকায় রুমন হত্যাকাণ্ডের মূল আসামিসহ দুজনকে গাজীপুর থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। র্যাবের সহায়তায় গত ১ জুলাই ২০২৬ তারিখে গাজীপুরের মাওনা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— এএইচএম রেজাউল করিম ছানা (৫৫) এবং মো: নাসিরুল আহসান আকিব (৩৫)। তারা উভয়ই গাইবান্ধা সদর থানার পূর্ব পিয়ারাপুর গ্রামের বাসিন্দা। এএইচএম রেজাউল করিম ছানার পিতার নাম মৃত ফয়জার রহমান ওরফে মধু মিয়া এবং নাসিরুল আহসান আকিব তার ছেলে।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ৭ জুন ২০২৬ তারিখে গাইবান্ধা সদর উপজেলার ত্রিমোহিনী এলাকার পূর্ব পিয়ারাপুরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুই পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই সংঘর্ষে রুমন নামে এক ব্যক্তি নিহত হন। এ ঘটনায় সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।
ঘটনার পর থেকে গাইবান্ধার পুলিশ সুপার মো: জসিম উদ্দিনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আসামিদের গ্রেফতারে বিশেষ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় প্রযুক্তির সহায়তায় ও র্যাবের সহযোগিতায় ঘটনার মূল হোতাদের গাজীপুর থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
এ বিষয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম এবং সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন।
