সাব্বির আলম বাবুঃ
গবাদিপশুর গোবর থেকে তৈরি হচ্ছে জৈবসার ও বায়োগ্যাস। বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের এ উদ্যোগে ভোলা জেলার তিন উপজেলায় যুক্ত হয়েছেন এক হাজার উদ্যোক্তা। এতে পরিবেশদূষণ কমানোর পাশাপাশি কৃষিতে জৈবসারের ব্যবহার বৃদ্ধি, বিকল্প জ্বালানি উৎপাদন ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন আয়ের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। চরফ্যাশন, লালমোহন ও বোরহানউদ্দিন উপজেলায় প্রকল্পটির আওতায় এক হাজার উদ্যোক্তাকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে জৈব বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনা, কৃষিতে রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমানো এবং পরিবেশবান্ধব উৎপাদনব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে মাঠপর্যায়ে ২০ জন উদ্যোক্তা প্রতি মাসে গড়ে ২৫ থেকে ৩০ টন জৈবসার উৎপাদন করছেন। স্থানীয় কৃষকদের মধ্যেও এ সারের চাহিদা বাড়ছে। বিশেষ করে সবজি ও তরমুজ চাষিরা জৈবসার ব্যবহারে আগ্রহী হচ্ছেন। পাশাপাশি ট্রাইকো কম্পোস্ট ও ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদনেও খামারিদের আগ্রহ বাড়ছে। অন্যদিকে, গোবর থেকে বায়োগ্যাস উৎপাদনেও সাফল্য পেয়েছেন উদ্যোক্তারা। প্রকল্পের আওতায় ১২ জন খামারি ও উদ্যোক্তা বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপন করেছেন। এসব প্ল্যান্ট থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৯০ ঘনমিটার গ্যাস উৎপাদিত হচ্ছে। পাইপলাইনের মাধ্যমে এ গ্যাস ব্যবহার করে রান্নার চাহিদা মেটাচ্ছে স্থানীয় প্রায় ৫০টি পরিবার। সংশ্লিষ্টদের মতে, গোবরের মতো জৈব বর্জ্য কাজে লাগিয়ে জৈবসার ও বায়োগ্যাস উৎপাদনের এ উদ্যোগ পরিবেশ সুরক্ষার পাশাপাশি খামারিদের বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি করছে। একই সঙ্গে গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষিতে জৈবসারের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং বিকল্প জ্বালানির প্রসারেও ভূমিকা রাখছে এ কার্যক্রম।
সাব্বির আলম বাবু
স্টাফ রিপোর্টার

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬
সাব্বির আলম বাবুঃ
গবাদিপশুর গোবর থেকে তৈরি হচ্ছে জৈবসার ও বায়োগ্যাস। বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের এ উদ্যোগে ভোলা জেলার তিন উপজেলায় যুক্ত হয়েছেন এক হাজার উদ্যোক্তা। এতে পরিবেশদূষণ কমানোর পাশাপাশি কৃষিতে জৈবসারের ব্যবহার বৃদ্ধি, বিকল্প জ্বালানি উৎপাদন ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন আয়ের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। চরফ্যাশন, লালমোহন ও বোরহানউদ্দিন উপজেলায় প্রকল্পটির আওতায় এক হাজার উদ্যোক্তাকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে জৈব বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনা, কৃষিতে রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমানো এবং পরিবেশবান্ধব উৎপাদনব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে মাঠপর্যায়ে ২০ জন উদ্যোক্তা প্রতি মাসে গড়ে ২৫ থেকে ৩০ টন জৈবসার উৎপাদন করছেন। স্থানীয় কৃষকদের মধ্যেও এ সারের চাহিদা বাড়ছে। বিশেষ করে সবজি ও তরমুজ চাষিরা জৈবসার ব্যবহারে আগ্রহী হচ্ছেন। পাশাপাশি ট্রাইকো কম্পোস্ট ও ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদনেও খামারিদের আগ্রহ বাড়ছে। অন্যদিকে, গোবর থেকে বায়োগ্যাস উৎপাদনেও সাফল্য পেয়েছেন উদ্যোক্তারা। প্রকল্পের আওতায় ১২ জন খামারি ও উদ্যোক্তা বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপন করেছেন। এসব প্ল্যান্ট থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৯০ ঘনমিটার গ্যাস উৎপাদিত হচ্ছে। পাইপলাইনের মাধ্যমে এ গ্যাস ব্যবহার করে রান্নার চাহিদা মেটাচ্ছে স্থানীয় প্রায় ৫০টি পরিবার। সংশ্লিষ্টদের মতে, গোবরের মতো জৈব বর্জ্য কাজে লাগিয়ে জৈবসার ও বায়োগ্যাস উৎপাদনের এ উদ্যোগ পরিবেশ সুরক্ষার পাশাপাশি খামারিদের বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি করছে। একই সঙ্গে গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষিতে জৈবসারের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং বিকল্প জ্বালানির প্রসারেও ভূমিকা রাখছে এ কার্যক্রম।
সাব্বির আলম বাবু
স্টাফ রিপোর্টার
