সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
TV CHANNEL 24

নন্দীগ্রামে আমন ধান কাটা-মাড়াই শুরু, ভালো ফলনের আশা করছেন কৃষকরা



নন্দীগ্রামে আমন ধান কাটা-মাড়াই শুরু, ভালো ফলনের আশা করছেন কৃষকরা

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) থেকে নাজমুল হুদা: বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় মাঠে মাঠে শুরু হয়েছে আমন ধান কাটা-মাড়াইয়ের প্রস্তুতি। কোথাও কোথাও কৃষকরা পাকা ধান ঘরে তুলতে শুরু করেছেন। সবুজ ধানক্ষেতের সোনালি রূপ ধারণের সঙ্গে সঙ্গে কৃষকদের ব্যস্ততাও বেড়েছে। অনুকূল আবহাওয়া ও মাঠের বর্তমান অবস্থা বিবেচনায় এবারও আমন ধানের ভালো ফলনের আশা করছেন কৃষকরা। 


উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মাঠজুড়ে এখন পাকা ও আধাপাকা আমন ধানের শীষ বাতাসে দোল খাচ্ছে। কৃষকের স্বপ্নজুড়ে এখন সোনালি ধান ঘরে তোলার প্রত্যাশা। ধান কাটা-মাড়াই ও শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। ফলন ভালো হলে উৎপাদন খরচ মিটিয়ে পরিবারের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি আর্থিকভাবেও লাভবান হওয়ার আশা করছেন কৃষকরা। 


গ্রামবাংলার মাঠজুড়ে আমন ধানের এমন দৃশ্য কৃষকের পরিশ্রমের সার্থকতার বার্তা দিচ্ছে। বছরের এই সময়ে কৃষকের প্রধান ব্যস্ততা থাকে ধান কাটা-মাড়াই ও ঘরে তোলাকে ঘিরে। তবে কাঙ্ক্ষিত ফলন নিশ্চিত করতে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকা এবং ফসলের সঠিক পরিচর্যা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। 


নন্দীগ্রাম উপজেলার রণবাঘা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মিনহাজুর রহমান হাবিব বলেন, গ্রামবাংলার কৃষি ও প্রকৃতি একে অপরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত। মাঠভরা আমন ধান কৃষকের পরিশ্রমের প্রতিচ্ছবি। সোনালি ধান ঘরে তোলার সময়টি গ্রামীণ জীবনে আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে। কৃষকরা ভালো ফলন পেলে তাদের মুখে হাসি ফোটে, সেই সঙ্গে গ্রামীণ অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। 


নন্দীগ্রাম উপজেলার শিমলা বাজারের ধানের আড়তদার মুনিরুজ্জামান বলেন, ধানের জাত ও মানভেদে বাজারদর নির্ধারণ করা হয়। বর্তমানে নতুন আমন ধানের মধ্যে ব্রিধান-৪৯ প্রতিমণ ১ হাজার ২৫০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা, মিনিকেট ১ হাজার ৪৫০ থেকে ১ হাজার ৫৫০ টাকা, সুবললতা ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা এবং কাটারীভোগ ১ হাজার ৮০০ থেকে ১ হাজার ৯০০ টাকা দরে বেচাকেনা হচ্ছে। 


উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গাজীউল হক বলেন, চলতি খরিপ-২ মৌসুমে নন্দীগ্রাম উপজেলায় ১৯ হাজার ৫৪০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ হয়েছে। মাঠপর্যায়ে ধানের অবস্থা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে ফসল রক্ষা এবং উৎপাদন বাড়াতে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ধান পরিপক্ব হলে আবহাওয়ার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত কাটা-মাড়াইয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। এবারও এ উপজেলায় আমন ধানের আশাব্যঞ্জক ফলন হবে বলে আমরা আশা করছি। ধানের ফলন ভালো হলে কৃষকেরা লাভবান হবেন।

TV CHANNEL 24

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬


নন্দীগ্রামে আমন ধান কাটা-মাড়াই শুরু, ভালো ফলনের আশা করছেন কৃষকরা

প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) থেকে নাজমুল হুদা: বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় মাঠে মাঠে শুরু হয়েছে আমন ধান কাটা-মাড়াইয়ের প্রস্তুতি। কোথাও কোথাও কৃষকরা পাকা ধান ঘরে তুলতে শুরু করেছেন। সবুজ ধানক্ষেতের সোনালি রূপ ধারণের সঙ্গে সঙ্গে কৃষকদের ব্যস্ততাও বেড়েছে। অনুকূল আবহাওয়া ও মাঠের বর্তমান অবস্থা বিবেচনায় এবারও আমন ধানের ভালো ফলনের আশা করছেন কৃষকরা। 


উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মাঠজুড়ে এখন পাকা ও আধাপাকা আমন ধানের শীষ বাতাসে দোল খাচ্ছে। কৃষকের স্বপ্নজুড়ে এখন সোনালি ধান ঘরে তোলার প্রত্যাশা। ধান কাটা-মাড়াই ও শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। ফলন ভালো হলে উৎপাদন খরচ মিটিয়ে পরিবারের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি আর্থিকভাবেও লাভবান হওয়ার আশা করছেন কৃষকরা। 


গ্রামবাংলার মাঠজুড়ে আমন ধানের এমন দৃশ্য কৃষকের পরিশ্রমের সার্থকতার বার্তা দিচ্ছে। বছরের এই সময়ে কৃষকের প্রধান ব্যস্ততা থাকে ধান কাটা-মাড়াই ও ঘরে তোলাকে ঘিরে। তবে কাঙ্ক্ষিত ফলন নিশ্চিত করতে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকা এবং ফসলের সঠিক পরিচর্যা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। 


নন্দীগ্রাম উপজেলার রণবাঘা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মিনহাজুর রহমান হাবিব বলেন, গ্রামবাংলার কৃষি ও প্রকৃতি একে অপরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত। মাঠভরা আমন ধান কৃষকের পরিশ্রমের প্রতিচ্ছবি। সোনালি ধান ঘরে তোলার সময়টি গ্রামীণ জীবনে আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে। কৃষকরা ভালো ফলন পেলে তাদের মুখে হাসি ফোটে, সেই সঙ্গে গ্রামীণ অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। 


নন্দীগ্রাম উপজেলার শিমলা বাজারের ধানের আড়তদার মুনিরুজ্জামান বলেন, ধানের জাত ও মানভেদে বাজারদর নির্ধারণ করা হয়। বর্তমানে নতুন আমন ধানের মধ্যে ব্রিধান-৪৯ প্রতিমণ ১ হাজার ২৫০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা, মিনিকেট ১ হাজার ৪৫০ থেকে ১ হাজার ৫৫০ টাকা, সুবললতা ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা এবং কাটারীভোগ ১ হাজার ৮০০ থেকে ১ হাজার ৯০০ টাকা দরে বেচাকেনা হচ্ছে। 


উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গাজীউল হক বলেন, চলতি খরিপ-২ মৌসুমে নন্দীগ্রাম উপজেলায় ১৯ হাজার ৫৪০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ হয়েছে। মাঠপর্যায়ে ধানের অবস্থা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে ফসল রক্ষা এবং উৎপাদন বাড়াতে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ধান পরিপক্ব হলে আবহাওয়ার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত কাটা-মাড়াইয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। এবারও এ উপজেলায় আমন ধানের আশাব্যঞ্জক ফলন হবে বলে আমরা আশা করছি। ধানের ফলন ভালো হলে কৃষকেরা লাভবান হবেন।


TV CHANNEL 24

সম্পাদক ও প্রকাশক:
তারান্নুম রিয়া মনি

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
নন্দীগ্রামে আমন ধান কাটা-মাড়াই শুরু, ভালো ফলনের আশা করছেন কৃষকরা
0:00 / 0:00
1x