*নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:*
রাজধানীর মিরপুর-১৩ নম্বরে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কার্যালয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সিনিয়র সাংবাদিক রফিকুল ইসলামকে লাঞ্ছিত ও হামলার অভিযোগ উঠেছে।
গত ১৫ অক্টোবর ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় বিআরটিএ কেন্দ্রিক দালালচক্রের সদস্য বজলুর রহমান ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।
জানা যায়, বিআরটিএতে সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি ও দালালচক্রের দৌরাত্ম্য নিয়ে অনুসন্ধান করছিলেন সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম। তথ্য সংগ্রহকালে বজলুর রহমান তাকে বাধা দেন। বাধা উপেক্ষা করে কাজ চালিয়ে গেলে তার নেতৃত্বে কয়েকজন অতর্কিত হামলা চালায় এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে বলে অভিযোগ।
এ সময় সংবাদ প্রকাশ না করতে হুমকি এবং তার ক্যামেরা ও পেশাগত সরঞ্জাম ভাঙচুরের চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। পরে উপস্থিত সেবাগ্রহীতা ও সহকর্মীরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট থানাকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বিআরটিএতে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় দালালচক্র নিয়ে কাজ করছিলেন তিনি। এ সময় কথিত দালাল বজলুর রহমান ও তার লোকজন তাকে ঘিরে ধরে। প্রথমে সংবাদ সংগ্রহে বাধা, পরে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, সংবাদ প্রকাশ করলে দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় এবং ক্যামেরা কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
এ ঘটনার পর বিআরটিএ কার্যালয়ে দালালচক্র কীভাবে প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করছে এবং এর পেছনে কর্মকর্তাদের যোগসাজশ আছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
সাংবাদিক নেতারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৬
*নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:*
রাজধানীর মিরপুর-১৩ নম্বরে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কার্যালয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সিনিয়র সাংবাদিক রফিকুল ইসলামকে লাঞ্ছিত ও হামলার অভিযোগ উঠেছে।
গত ১৫ অক্টোবর ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় বিআরটিএ কেন্দ্রিক দালালচক্রের সদস্য বজলুর রহমান ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।
জানা যায়, বিআরটিএতে সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি ও দালালচক্রের দৌরাত্ম্য নিয়ে অনুসন্ধান করছিলেন সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম। তথ্য সংগ্রহকালে বজলুর রহমান তাকে বাধা দেন। বাধা উপেক্ষা করে কাজ চালিয়ে গেলে তার নেতৃত্বে কয়েকজন অতর্কিত হামলা চালায় এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে বলে অভিযোগ।
এ সময় সংবাদ প্রকাশ না করতে হুমকি এবং তার ক্যামেরা ও পেশাগত সরঞ্জাম ভাঙচুরের চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। পরে উপস্থিত সেবাগ্রহীতা ও সহকর্মীরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট থানাকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বিআরটিএতে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় দালালচক্র নিয়ে কাজ করছিলেন তিনি। এ সময় কথিত দালাল বজলুর রহমান ও তার লোকজন তাকে ঘিরে ধরে। প্রথমে সংবাদ সংগ্রহে বাধা, পরে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, সংবাদ প্রকাশ করলে দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় এবং ক্যামেরা কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
এ ঘটনার পর বিআরটিএ কার্যালয়ে দালালচক্র কীভাবে প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করছে এবং এর পেছনে কর্মকর্তাদের যোগসাজশ আছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
সাংবাদিক নেতারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
