সবীর আহমেদ ফোরকান
পরশুরাম উপজেলা প্রতিনিধি
ফেনী সহ সকল উপজেলা জুরে বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিনের গ্যাস সংকটকে পুঁজি করে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রিতে অতিরিক্ত ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সংকটের সুযোগে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রি করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পাইপলাইনে গ্যাস না থাকায় বাধ্য হয়ে সিলিন্ডারের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে তাদের। একটি ১২ কেজি সিলিন্ডার দিয়ে সাধারণত ২০ থেকে ২৫ দিন, কখনও এক মাসের রান্না চলে। হোটেল রেস্টুরেন্ট গুলোতে দু একদিনের মধ্যে শেষ হয়ে যায়। ফলে গ্যাস শেষ হলেই নতুন সিলিন্ডার কেনা ছাড়া বিকল্প থাকে না। এই বাধ্যবাধকতাকেই পুঁজি করছেন এক শ্রেণির ব্যবসায়ী।
একাধিক ক্রেতা অভিযোগ করে বলেন, "আগে যে ১২ কেজি সিলিন্ডার ১৪০০-১৬০০ টাকায় পাওয়া যেত, এখন তার জন্য ২০০০ থেকে ২২০০ টাকা পর্যন্ত চাওয়া হচ্ছে। বেশি দাম দিয়েও সময়মতো সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না।"
ভুক্তভোগীদের দাবি, গ্যাস সংকটকে পুঁজি করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাড়তি মুনাফা করছেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের রান্নার খরচ উল্লেখ যোগ্যভাবে বেড়ে গেছে এবং তারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
এ অবস্থায় সাধারণ মানুষের দাবি, গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রিতে সরকারি নির্ধারিত মূল্য ও ভোক্তা অধিকার আইন মানা হচ্ছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকি করা প্রয়োজন।
অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।
তবে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, সিলিন্ডারের প্রকৃত বাজারদর, সরবরাহ পরিস্থিতি এবং ব্যবসায়ীদের ক্রয়মূল্য যাচাই-বাছাই করেই অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করা জরুরি। পরশুরাম উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এসএম শাফায়াত আখতার নূর বলেন সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ পেলেই সাথে সাথে উক্ত ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এবং সরকারের নির্দেশনা না মানলে প্রয়োজনের লাইসেন্স বাতিল করা হবে।
ছবির ক্যাপশন: দোকানে সারি সারি সাজানো এলপিজি সিলিন্ডার। গ্যাস সংকটে বাড়তি দামে সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগ ক্রেতাদের।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
সবীর আহমেদ ফোরকান
পরশুরাম উপজেলা প্রতিনিধি
ফেনী সহ সকল উপজেলা জুরে বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিনের গ্যাস সংকটকে পুঁজি করে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রিতে অতিরিক্ত ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সংকটের সুযোগে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রি করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পাইপলাইনে গ্যাস না থাকায় বাধ্য হয়ে সিলিন্ডারের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে তাদের। একটি ১২ কেজি সিলিন্ডার দিয়ে সাধারণত ২০ থেকে ২৫ দিন, কখনও এক মাসের রান্না চলে। হোটেল রেস্টুরেন্ট গুলোতে দু একদিনের মধ্যে শেষ হয়ে যায়। ফলে গ্যাস শেষ হলেই নতুন সিলিন্ডার কেনা ছাড়া বিকল্প থাকে না। এই বাধ্যবাধকতাকেই পুঁজি করছেন এক শ্রেণির ব্যবসায়ী।
একাধিক ক্রেতা অভিযোগ করে বলেন, "আগে যে ১২ কেজি সিলিন্ডার ১৪০০-১৬০০ টাকায় পাওয়া যেত, এখন তার জন্য ২০০০ থেকে ২২০০ টাকা পর্যন্ত চাওয়া হচ্ছে। বেশি দাম দিয়েও সময়মতো সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না।"
ভুক্তভোগীদের দাবি, গ্যাস সংকটকে পুঁজি করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাড়তি মুনাফা করছেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের রান্নার খরচ উল্লেখ যোগ্যভাবে বেড়ে গেছে এবং তারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
এ অবস্থায় সাধারণ মানুষের দাবি, গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রিতে সরকারি নির্ধারিত মূল্য ও ভোক্তা অধিকার আইন মানা হচ্ছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকি করা প্রয়োজন।
অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।
তবে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, সিলিন্ডারের প্রকৃত বাজারদর, সরবরাহ পরিস্থিতি এবং ব্যবসায়ীদের ক্রয়মূল্য যাচাই-বাছাই করেই অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করা জরুরি। পরশুরাম উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এসএম শাফায়াত আখতার নূর বলেন সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ পেলেই সাথে সাথে উক্ত ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এবং সরকারের নির্দেশনা না মানলে প্রয়োজনের লাইসেন্স বাতিল করা হবে।
ছবির ক্যাপশন: দোকানে সারি সারি সাজানো এলপিজি সিলিন্ডার। গ্যাস সংকটে বাড়তি দামে সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগ ক্রেতাদের।
