রিপোর্ট - মৃধা বেলাল
বরগুনার আমতলী পৌর শহরের বেসরকারি উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সান্ধ্যকালীন কোচিংয়ে সহপাঠীর আনা অচেনা ফল খেয়ে শ্বাসকষ্ট নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে সাত ছাত্রী। পরে তাদের আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসার পর বর্তমানে সবাই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।
ঘটনাটি ঘটে কোচিং চলাকালীন সময়ে। প্রত্যক্ষদর্শী ও শিক্ষকরা জানান, একই ক্লাসের সহপাঠী আবির বাড়ি থেকে একটি অচেনা ফল নিয়ে আসে। সেটি সহপাঠীদের মধ্যে ভাগ করে খাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই সাতজন মেয়ে শিক্ষার্থীর প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট, বমি ভাব ও দুর্বলতা দেখা দেয়। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের উদ্ধার করে আমতলী হাসপাতালে নেওয়া হয়।
হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে শিক্ষার্থীদের পর্যবেক্ষণে রাখেন। কয়েক ঘণ্টার চিকিৎসায় তারা ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠেন।
*পুলিশের তদন্ত*
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় আমতলী থানা পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ সহপাঠী আবিরের বাসায় গিয়ে একই ধরনের ফল উদ্ধার করে পরীক্ষা করে দেখে। পরিবারের সদস্যরা জানান, ফলটি আখরোট। এটি দীর্ঘদিন ফ্রিজে রাখা ছিল।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে দীর্ঘদিন ফ্রিজে থাকার কারণে ফলটির গুণগত মান নষ্ট হয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে থাকতে পারে। তবে নিশ্চিত হতে ফলটি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
*স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য*
উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, স্কুল চলাকালীন এবং কোচিংয়ের সময় শিক্ষার্থীদের বাইরে থেকে খাবার আনা নিয়ে আমরা সবসময় সতর্ক করি। এ ঘটনার পর অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে আরও সচেতনতা বাড়ানো হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় সাময়িক আতঙ্ক ছড়ালেও সব শিক্ষার্থী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরায় অভিভাবক ও শিক্ষকরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রিপোর্ট - মৃধা বেলাল
বরগুনার আমতলী পৌর শহরের বেসরকারি উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সান্ধ্যকালীন কোচিংয়ে সহপাঠীর আনা অচেনা ফল খেয়ে শ্বাসকষ্ট নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে সাত ছাত্রী। পরে তাদের আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসার পর বর্তমানে সবাই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।
ঘটনাটি ঘটে কোচিং চলাকালীন সময়ে। প্রত্যক্ষদর্শী ও শিক্ষকরা জানান, একই ক্লাসের সহপাঠী আবির বাড়ি থেকে একটি অচেনা ফল নিয়ে আসে। সেটি সহপাঠীদের মধ্যে ভাগ করে খাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই সাতজন মেয়ে শিক্ষার্থীর প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট, বমি ভাব ও দুর্বলতা দেখা দেয়। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের উদ্ধার করে আমতলী হাসপাতালে নেওয়া হয়।
হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে শিক্ষার্থীদের পর্যবেক্ষণে রাখেন। কয়েক ঘণ্টার চিকিৎসায় তারা ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠেন।
*পুলিশের তদন্ত*
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় আমতলী থানা পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ সহপাঠী আবিরের বাসায় গিয়ে একই ধরনের ফল উদ্ধার করে পরীক্ষা করে দেখে। পরিবারের সদস্যরা জানান, ফলটি আখরোট। এটি দীর্ঘদিন ফ্রিজে রাখা ছিল।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে দীর্ঘদিন ফ্রিজে থাকার কারণে ফলটির গুণগত মান নষ্ট হয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে থাকতে পারে। তবে নিশ্চিত হতে ফলটি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
*স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য*
উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, স্কুল চলাকালীন এবং কোচিংয়ের সময় শিক্ষার্থীদের বাইরে থেকে খাবার আনা নিয়ে আমরা সবসময় সতর্ক করি। এ ঘটনার পর অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে আরও সচেতনতা বাড়ানো হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় সাময়িক আতঙ্ক ছড়ালেও সব শিক্ষার্থী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরায় অভিভাবক ও শিক্ষকরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
