ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে শাহ আলম নামে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ। নিপীড়িতা ছাত্রী কালীগঞ্জ কোলা ইউনিয়নের বড় বায়সা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণিতে অধ্যায়নরত। অভিযুক্ত শিক্ষক উক্ত প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক। মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১১ টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী জানতে পেরে উক্ত শিক্ষককে স্কুলে অবরুদ্ধ করে রাখে। খবর পেয়ে কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে পৌঁছিয়ে এলাকাবাসীকে শান্ত করে অভিযুক্ত শিক্ষককে আইনি হেফাজতে নেন।
নিপীড়িতা ছাত্রীর ভাষ্যমতে লম্পট শিক্ষক শাহ আলম প্রায়ই তার বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয় এবং এ ঘটনা কাউকে না বলার জন্য ভয় দেখায়। ঘটনার দিন শিক্ষক তাকে বাথরুমে দেখা করতে বলে। কিন্তু মেয়েটি ভয় পেয়ে যায়। বাথরুমে না যেয়ে বাড়ি চলে আসে এবং অভিভাবকদেরকে জানিয়ে দেয়। অভিভাবকরা এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে লম্পট শিপক্ষককে অবরুদ্ধ করে রাখে।
নির্যাতিতা মেয়েটির ভাষ্যমতে শিক্ষক শাহ আলম একই ধরনের কাজ তার সহপাঠীদের সাথেও করেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে আমি।
কালিগঞ্জ উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেদোয়ানা নাহিদের সাথে কথা বললে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন যে আমি থানার অফিসার্স ইনচার্জের নিকট থেকে জানতে পারি যে বাইসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে ছাত্রী যৌন হয়রানির অভিযোগে জনতা অবরুদ্ধ করে রেখেছে। তারপর আমি সেখানে যাই এবং উক্ত শিক্ষককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। ঘটনার তদন্তের মাধ্যম দিয়ে শিক্ষক দোষী সাব্যস্ত হলে তার বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে। ছাত্রীর লেখা চিরকুট পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে শাহ আলম নামে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ। নিপীড়িতা ছাত্রী কালীগঞ্জ কোলা ইউনিয়নের বড় বায়সা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণিতে অধ্যায়নরত। অভিযুক্ত শিক্ষক উক্ত প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক। মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১১ টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী জানতে পেরে উক্ত শিক্ষককে স্কুলে অবরুদ্ধ করে রাখে। খবর পেয়ে কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে পৌঁছিয়ে এলাকাবাসীকে শান্ত করে অভিযুক্ত শিক্ষককে আইনি হেফাজতে নেন।
নিপীড়িতা ছাত্রীর ভাষ্যমতে লম্পট শিক্ষক শাহ আলম প্রায়ই তার বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয় এবং এ ঘটনা কাউকে না বলার জন্য ভয় দেখায়। ঘটনার দিন শিক্ষক তাকে বাথরুমে দেখা করতে বলে। কিন্তু মেয়েটি ভয় পেয়ে যায়। বাথরুমে না যেয়ে বাড়ি চলে আসে এবং অভিভাবকদেরকে জানিয়ে দেয়। অভিভাবকরা এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে লম্পট শিপক্ষককে অবরুদ্ধ করে রাখে।
নির্যাতিতা মেয়েটির ভাষ্যমতে শিক্ষক শাহ আলম একই ধরনের কাজ তার সহপাঠীদের সাথেও করেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে আমি।
কালিগঞ্জ উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেদোয়ানা নাহিদের সাথে কথা বললে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন যে আমি থানার অফিসার্স ইনচার্জের নিকট থেকে জানতে পারি যে বাইসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে ছাত্রী যৌন হয়রানির অভিযোগে জনতা অবরুদ্ধ করে রেখেছে। তারপর আমি সেখানে যাই এবং উক্ত শিক্ষককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। ঘটনার তদন্তের মাধ্যম দিয়ে শিক্ষক দোষী সাব্যস্ত হলে তার বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে। ছাত্রীর লেখা চিরকুট পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।
