উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
তারান্নুম রিয়া মনি, সম্পাদক ও প্রকাশক ||
নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার ৫ নম্বর ভাটগ্রাম ইউনিয়নের বিজরুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিজস্ব জায়গায় রাতারাতি ইটের ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। পরে স্থানীয় লোকজনের বাধার মুখে নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি জানার পর বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসও নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিজরুল গ্রামের মাহাতাব আলী মণ্ডল ১৯৫৮ সালে দানপত্র দলিলের মাধ্যমে বিজরুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামে ১০ শতক জায়গা দান করেন। এরপর থেকে জায়গাটি বিদ্যালয়ের দখলে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, সম্প্রতি একই গ্রামের মিরাজুল ইসলাম ওই জায়গায় রাতের আঁধারে কাপড় দিয়ে আড়াল করে ইটের ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করেন। বিষয়টি স্থানীয় লোকজনের নজরে এলে তাঁরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধা দেন। একপর্যায়ে তাঁদের বাধার মুখে নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে যায়। এ বিষয়ে স্থানীয়রা বলেন, জায়গাটি বিজরুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিজস্ব সম্পত্তি। দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জায়গাটি ভোগদখল করে আসছে। এমন অবস্থায় সেখানে রাতারাতি ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া অনুচিত। জায়গার মালিকানা ও বিদ্যালয়ের স্বার্থ রক্ষায় বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তাঁরা। বিজরুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদ বলেন, বিষয়টি জানার পর আমরা তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে ঘর নির্মাণের কাজ করতে নিষেধ করেছি। নন্দীগ্রাম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম সারওয়ার জাহান বলেন, বিজরুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জায়গায় ঘর নির্মাণের বিষয়টি জানার পর কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে মিরাজুল ইসলাম বলেন, স্কুলের জায়গায় রাতারাতি ঘর নির্মাণের কাজ করা আমার অন্যায় হয়েছে। ওপর থেকে কাজ বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়ার পর আমি কাজ বন্ধ রেখেছি। বিদ্যালয়ের নামে দান করা জায়গায় ঘর নির্মাণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা চলছে। জায়গাটির দানপত্র দলিল, বর্তমান মালিকানা ও সীমানা যাচাই করে আইনানুগভাবে বিষয়টি নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।