উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
তারান্নুম রিয়া মনি, সম্পাদক ও প্রকাশক ||
পরশুরাম প্রতিনিধি:সবীর আহমেদ ফোরকান পরশুরামে সড়ক উন্নয়ন কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় এলাকাবাসীর দাবি, উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তাদের অসাধু যোগসাজশ ও পরোক্ষ মদদেই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে খামখেয়ালিভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন ঠিকাদাররা।স্থানীয়দের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কার কাজে সিডিউল অনুযায়ী যে পরিমাণ ইট, বালু, পাথর প্রাইমকোড বিটুমিন ব্যবহার করার কথা, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তা না মেনে অত্যন্ত নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ শেষ করার চেষ্টা করছে। তদারকির দায়িত্বে থাকা উপজেলা প্রকৌশল দপ্তরের (এলজিইডি) কর্মকর্তাদের বিষয়টি বারবার জানানো হলেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেননি। উল্টো কর্মকর্তাদের পরামর্শ ও প্রশ্রয়েই ঠিকাদাররা এমন বেপরোয়া অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ গ্রামবাসীর।পরশুরাম পৌরসভার বাউরপাথর এলাকায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) একটি সড়ক সংস্কারকাজে নানা অনিয়ম ও চরম গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। ৯৮ লাখ টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার এবং নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও কাজ শেষ না করার প্রতিবাদে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা কাজের গুণগত মান যাচাই করে সিডিউল অনুযায়ী সংস্কারকাজ সম্পন্ন করার জোর দাবি জানিয়েছেন। ২ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি সংস্কারের দায়িত্ব পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স’। চুক্তি অনুযায়ী প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় ৯৮ লাখ ৬৩ হাজার টাকা। এলজিইডি থেকে চূড়ান্ত ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হয় গত বছরের ৭ অক্টোবর। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ীচলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি কাজ শুরু হয়ে ১৮ এপ্রিলে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে নির্দিষ্ট সময় পার হয়ে গেলেও নানা অজুহাতে কাজ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।এলাকাবাসীর ভাষ্য, "জনগণের সুবিধার জন্য সরকার কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দিচ্ছে। অথচ এলজিইডি কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের অশুভ আঁতাতের কারণে কয়েকদিন যেতে না যেতেই সড়ক নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সরকারি অর্থের এমন অপচয় আমরা মেনে নেব না।"এ অবস্থায় কাজের মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি