উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
তারান্নুম রিয়া মনি, সম্পাদক ও প্রকাশক ||
পরশুরাম প্রতিনিধি:সবীর আহমেদ ফোরকান ফেনীর পরশুরাম উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের নাসির উদ্দিন চৌধুরী সড়কে প্রায় চার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন একটি ব্রিজের কাজে অনিয়ম ও নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে ব্রিজ নির্মাণের সময় জনসাধারণের চলাচলের জন্য কোনো বিকল্প (বাইপাস) সড়ক তৈরি না করায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণকাজ শুরুর পর থেকেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করছেন। গুণগত মান ঠিক রাখার জন্য এলাকাবাসী একাধিকবার সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করলেও তাতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এ নিয়ে স্থানীয়রা ইতোমধ্যে উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপজেলা প্রকৌশলীর কাছে মৌখিক অভিযোগও দিয়েছেন।উপজেলা এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে,আইআরআইডিপি-এনএফএল প্রকল্পের আওতায় ৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩৬ মিটার দীর্ঘ ও ২৪ ফুট প্রশস্ত* নতুন সেতু নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পরশুরাম এলজিইডির তত্ত্বাবধানে গত ১৫ মার্চ থেকে প্রকল্পটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যে কাজ শেষ করার কথা রয়েছে।প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেয়েছে মেসার্স ইউনুস অ্যান্ড ব্রাদার্স। পরে পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মাধ্যমে নির্মাণকাজ পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দি নিউ ট্রেড লিংককে। ঠিকাদার তাজুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে ব্রিজটির নির্মাণকাজ চলছে।স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কাশেম বলেন, “কাজ শুরুর পর থেকেই নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের বিষয়টি আমরা দেখছি। বারবার বলার পরও বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। আবার ব্রিজ নির্মাণের জন্য পুরোনো পথ বন্ধ হয়ে গেলেও কোনো বাইপাস সড়ক তৈরি করা হয়নি। এতে প্রতিদিন শত শত মানুষ দুর্ভোগে পড়ছেন।”স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চিথলিয়া ইউনিয়নের প্রায় ২৫ হাজার মানুষের চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ এ পথে স্থানীয়দের কাছে ‘চিকন সেতু’ নামে পরিচিত প্রায় ৬ ফুট প্রস্থের পুরোনো সেতুটি ভেঙে নতুন করে ২৪ ফুট প্রশস্ত সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে।ফেনী-পরশুরাম আঞ্চলিক মহাসড়ক থেকে নাসির উদ্দিন ভিলেজ সড়ক হয়ে ভারত সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা এই সড়কটি। বাইপাস না থাকায় শিক্ষার্থী, রোগী ও কৃষিপণ্য পরিবহনে চরম ভোগান্ত