উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
তারান্নুম রিয়া মনি, সম্পাদক ও প্রকাশক ||
মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই যেন তাঁর নেশা—কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগে নতুন আশার আলোরাশেদুল ইসলাম রিয়াদ, জাজিরা (শরীয়তপুর) প্রতিনিধিমানুষের পাশে দাঁড়ানো, অসহায়দের সহযোগিতা করা এবং বিপদে মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর নিরন্তর প্রচেষ্টায় এলাকায় মানবিক মানুষ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন রতন মুন্সি। নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি গড়ে তুলেছেন মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। তাঁর এমন উদ্যোগে উপকৃত হচ্ছেন অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষ।স্থানীয়দের ভাষ্য, সমাজে অনেকেই নিজের স্বার্থকে প্রাধান্য দেন। তবে রতন মুন্সি ব্যতিক্রম। কারও বিপদের কথা জানতে পারলে সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন তিনি। কখনো আর্থিক সহায়তা, কখনো কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি কিংবা ব্যক্তিগতভাবে পাশে দাঁড়িয়ে মানুষের দুঃসময়ে সহযোগিতা করে আসছেন।সম্প্রতি একটি পরিবারের জন্য ছোট পরিসরে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নিয়েছেন রতন মুন্সি। তাঁর প্রত্যাশা, এই উদ্যোগের মাধ্যমে পরিবারটি নিজেদের আয়-রোজগারের পথ তৈরি করতে পারবে এবং ধীরে ধীরে স্বাবলম্বী হয়ে উঠবে। উদ্যোগটির মাধ্যমে শুধু তাৎক্ষণিক সহায়তা নয়, একটি পরিবারের ভবিষ্যৎ গড়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।উপকারভোগীর বক্তব্যরহিম মাদবর বলেন, “রতন মুন্সি ভাই আমাদের বিপদের সময় পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাঁর সহযোগিতায় আমরা নতুনভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পেয়েছি। তাঁর প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।”স্থানীয় ব্যক্তির বক্তব্যআলামিন মাদবর বলেন, “রতন মুন্সি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের কল্যাণে কাজ করছেন। বিশেষ করে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়টি প্রশংসনীয়। তাঁর মতো মানুষ সমাজে আরও বেশি প্রয়োজন।”স্থানীয় জনপ্রতিনিধির বক্তব্যইমরান মাদবর বলেন, “মানুষের কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রতন মুন্সির বিভিন্ন মানবিক কর্মকাণ্ড সমাজের অন্যদেরও ভালো কাজে উৎসাহিত করবে।”রতন মুন্সির বক্তব্যরতন মুন্সি বলেন, “আমি মানুষের জন্য যতটুকু করতে পারি, সেটুকুই করার চেষ্টা করি। একটি পরিবার যদি নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে, সেটাই আমার কাছে বড় পাওয়া। সবাই দোয়া করবেন, যেন ভবিষ্যতেও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারি।”স্থানীয়রা বলছেন, মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতা থেকে পরিচালিত এমন উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। তাঁদের প্রত্যাশা, রতন মুন্সির মতো ব্যক্তিগত উদ্যোগে আরও মানুষ মানবিক কাজে এগিয়ে আসবেন।মানুষের কল্যাণে নীরবে কাজ করে যাওয়া রতন মুন্সির এমন উদ্যোগকে অনেকেই দেখছেন মানবতার প্রতি দায়িত্ববোধের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে।