উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
তারান্নুম রিয়া মনি, সম্পাদক ও প্রকাশক ||
শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি:বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার রাজনীতিতে এক অভূতপূর্ব ও বৈজ্ঞানিক সমীকরণের বাতাস বইতে শুরু করেছে। কোনো অভ্যন্তরীণ কোন্দল বা কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি নয়, বরং যোগ্যতার সর্বোচ্চ মূল্যায়ন ও সুষম উন্নয়নের এক নতুন দর্শন নিয়ে মাঠে নেমেছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজপথের লড়াকু সৈনিক ও কেন্দ্রীয় স্তরের দূরদর্শী নেতা জনাব বেলাল হোসেন মিলন উপজেলা পরিষদের হাল ধরলে এবং তৃণমূলের স্পন্দন আলহাজ্ব ফরিদ উদ্দিন মানিক ৩ নং রায়েন্দা ইউনিয়নের দায়িত্ব নিলে শরণখোলার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বিপ্লব ঘটবে।যোগ্যতার সঠিক মূল্যায়ন: সূরা ইউসুফ-এর অলৌকিক সমীকরণনেতৃত্ব ও দায়িত্ব অর্পণের ক্ষেত্রে পবিত্র কুরআনের শিক্ষা অত্যন্ত স্পষ্ট। সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যক্তিকে তার উপযুক্ত বৃহত্তর আসনে বসানোই ইসলামের মূল নীতি। পবিত্র কুরআনের সূরা ইউসুফ-এর ৫৫ নম্বর আয়াতে বর্ণিত হয়েছে, যখন হযরত ইউসুফ (আ.) নিজের যোগ্যতা ও সততার ওপর ভিত্তি করে তৎকালীন আজিজের কাছে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব চেয়েছিলেন, তখন তিনি বলেছিলেন:“তিনি বললেন, আপনি আমাকে এ দেশের ধন-ভান্ডারের (অর্থ ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের) দায়িত্ব নিযুক্ত করুন; নিশ্চয়ই আমি এর রক্ষণাবেক্ষণে পারদর্শী ও জ্ঞানবান।”হযরত ইউসুফ (আ.)-এর এই অলৌকিক দূরদর্শিতা এবং মেধার সঠিক মূল্যায়নের ফলেই তৎকালীন মিশর এক মহা দুর্ভিক্ষ থেকে রক্ষা পেয়েছিল। ঠিক একইভাবে, শরণখোলা উপজেলার বর্তমান ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় জনাব বেলাল হোসেন মিলনকে একটি মাত্র ইউনিয়নের গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হবে তার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ইতিহাস ও মেধার প্রতি চরম অবিচার। তাকে ইউনিয়নের ছোট পরিসর থেকে সরিয়ে এনে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করাই আজ সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি এবং বৈজ্ঞানিক রাজনৈতিক কৌশল।বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা ও মিলন ভাইয়ের লবিংয়ের অনিবার্যতাবর্তমানে দেশজুড়ে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকলেও, স্থানীয় রাজনৈতিক সমীকরণে বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হয়েছেন [en.wikipedia.org]। মাঠপর্যায়ের বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে, কেন্দ্রে নিজেদের সরকার থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় এমপির ভিন্ন রাজনৈতিক আদর্শের কারণে শরণখোলার তৃণমূলের বৃহৎ শক্তির সাধারণ নেতাকর্মী ও সমর্থকরা ক্ষমতার সঠিক মূল্যায়ন বা কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের সুফল থেকে কিছুটা বঞ্চিত বোধ করছেন। সংসদীয় বরাদ্দের এই সীমাবদ্ধতা দূর করতে এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার প্রকৃত স্বাদ জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে মিলন ভাইয়ের মতো একজন হেভিওয়েট নেতার বিকল্প নেই।ঐতিহ্যবাহী জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি এবং বর্তমান উপজেলা বিএনপি-র সাধারণ সম্পাদক জনাব বেলাল হোসেন মিলন কোনো ড্রইংরুমের নেতা নন [dailynayadiganta.com]। বহু মামলা, হামলা ও জুলুম-নির্যাতন উপেক্ষা করে রাজপথ কাঁপানো এই নেতার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো ঢাকার কেন্দ্রীয় কার্যালয়, পার্টি অফিস এবং সাবেক মন্ত্রী-মিনিস্টার ও কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারকদের সাথে তার সুগভীর, নিবিড় ও ব্যক্তিগত লবিংয়ের ক্ষমতা। তিনি উপজেলা চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিলে সংসদীয় বরাদ্দের মুখাপেক্ষী না থেকে, সরাসরি নিজের রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ঢাকা থেকে কোটি কোটি টাকার মেগা প্রজেক্ট ও বিশেষ উন্নয়ন বাজেট হাসিল করে আনতে পারবেন। তার দূরদর্শী পরিকল্পনায় বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনকে কেন্দ্র করে पर्यटन শিল্পে (Tourism Industry) এক যুগান্তকারী বিপ্লব ঘটবে এবং স্থানীয়ভাবে নতুন নতুন কলকারখানা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।আলহাজ্ব ফরিদ উদ্দিন মানিকের হাতকে শক্তিশালী করার বৈজ্ঞানিক পন্থারাজনৈতিকভাবে এটি একটি অনন্য মাস্টারস্ট্রোক! মিলন ভাই যখন উপজেলা চেয়ারম্যানের আসনে বসবেন, তখন তার সরাসরি ক্ষমতার প্রভাবে এবং ঢাকার কেন্দ্রীয় কানেকশনকে কাজে লাগিয়ে সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে ৩ নং রায়েন্দা应用। মিলন ভাই ঢাকা থেকে যে বড় বড় প্রজেক্ট, রাস্তাঘাট ও বিশেষ বাজেট নিয়ে আসবেন, তা রায়েন্দা ইউনিয়নে বাস্তবায়নের মূল চাবিকাঠি থাকবে উপজেলা বিএনপি-র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব ফরিদ উদ্দিন মানিক ভাইয়ের হাতে।উপজেলা থেকে মিলন ভাইয়ের অকুণ্ঠ প্রশাসনিক সমর্থন এবং কোটি কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ সরাসরি মানিক ভাইয়ের হাতকে রায়েন্দা ইউনিয়নে আরও দশগুণ শক্তিশালী করবে। মানিক ভাই রায়েন্দা ইউনিয়নের প্রতিটি পাড়া-মহল্লা, প্রতিটি ঘরের মানুষের সুখে-দুঃখে মিশে থাকা এক পরম আশ্রয়। নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে সাহায্য-সহযোগিতা এবং মানুষের যেকোনো বিপদে মধ্যরাতে ছুটে যাওয়ার বিরল গুণের কারণে তিনি অলরেডি জনপ্রিয়তার শীর্ষে।ঐক্য ও অগ্রযাত্রার ডাকঢাকায় ও উপজেলা পরিষদে রাজপথের আপসহীন নেতা বেলাল হোসেন মিলন ভাই, আর তৃণমূলের রায়েন্দা ইউনিয়নে মাটির মানুষ আলহাজ্ব ফরিদ উদ্দিন মানিক ভাই—এই কোন্দলমুক্ত, সমন্বিত এবং রাজনৈতিকভাবে শতভাগ বৈজ্ঞানিক নেতৃত্বই পারে আমাদের অঞ্চলকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে। আসুন, এলাকার সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই যুগোপযোগী সিদ্ধান্তকে সফল করি।