উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
তারান্নুম রিয়া মনি, সম্পাদক ও প্রকাশক ||
ভোটের হাওয়ায় হঠাৎ গজিয়ে ওঠা 'বসন্তের কোকিল'দের ভিড়ে আস্থার প্রতীক, মরহুম আব্দুস সালাম চৌকিদারের সুযোগ্য উত্তরসূরিনিজস্ব প্রতিবেদক, শরণখোলা (বাগেরহাট):আসন্ন বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার ৩ নং রায়েন্দা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ভোটার ও সাধারণ জনগণের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে এবারের নির্বাচনে প্রার্থীদের যোগ্যতা ও অতীত কর্মকাণ্ড নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করছেন সাধারণ নাগরিকরা। ভোটারদের মতে, একটি ইউনিয়ন শুধু কোনো ভৌগোলিক এলাকা নয়, এটি হাজারো মানুষের সুখ-দুঃখ, স্বপ্ন আর অধিকারের ঠিকানা। আর এই ঠিকানার অভিভাবকত্ব এমন একজনের হাতে থাকা উচিত, যিনি কেবল ভোটের সময় আসেন না, বরং যিনি বছরের পর বছর ধরে মানুষের হৃদয়ে মিশে আছেন।নির্বাচনী মাঠে আলহাজ্ব ফরিদ উদ্দিন মানিক ছাড়াও আরও অনেকেই প্রার্থী হয়েছেন। কিন্তু স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কে তাদের সত্যিকারের আপন আর কারা কেবল 'বসন্তের কোকিল', তা এখন সবার কাছে স্পষ্ট।নেতৃত্ব ও ন্যায়বিচারের পারিবারিক ঐতিহ্য:এলাকাবাসী জানান, ৩ নং রায়েন্দা ইউনিয়নে এমন একজন মানুষ আছেন, যিনি কোনো সরকারি ক্ষমতার চেয়ারে না থেকেও দীর্ঘ ১৭টি বছর ধরে ছায়ার মতো ইউনিয়নবাসীর পাশে রয়েছেন। তিনি আর কেউ নন—সকলের অতি পরিচিত ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব ফরিদ উদ্দিন মানিক। ওনার রক্তেই রয়েছে leadership বা নেতৃত্ব ও ন্যায়বিচারের ঐতিহ্য। তিনি রায়েন্দা ইউনিয়নের এক মহান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, ৩ নং রায়েন্দা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার, পরম ন্যায়বিচারক হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত মরহুম আব্দুস সালাম চৌকিদারের সুযোগ্য পুত্র। আলহাজ্ব ফরিদ উদ্দিন মানিক আজ বাবার সেই সততা, আদর্শ আর ন্যায়ের পথ বুকে নিয়ে ইউনিয়নবাসীর সেবা করে যাচ্ছেন।ব্যক্তিগত তহবিলের কোটি কোটি টাকার উন্নয়ন:স্থানীয়রা আরও উল্লেখ করেন, অনেকে ক্ষমতায় গিয়ে সরকারি বা জনগণের টাকা দিয়ে সমাজসেবা দেখায়। কিন্তু আলহাজ্ব ফরিদ উদ্দিন মানিক ক্ষমতার লোভে নয়, মানুষের ভালোবাসায় কোটি কোটি টাকা নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ব্যয় করেছেন। এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা, ওয়াজ মাহফিল থেকে শুরু করে রাস্তাঘাট, কালভার্ট নির্মাণ এবং অসহায়-দরিদ্র মানুষের যেকোনো বিপদে তিনি সবসময় অকাতরে দান করেছেন। তিনি প্রমাণ করেছেন, মানুষের পাশে দাঁড়াতে কোনো চেয়ার লাগে না, শুধু একটি বড় মন লাগে।ধানের চিটা বনাম খাঁটি যোগ্যতা:অথচ আজ নির্বাচনের হাওয়া লাগতেই মানিক ভাইয়ের পাশাপাশি আরও যারা প্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছেন, বিগত দিনগুলোতে তাদের কোনো খোঁজ ছিল না বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ ভোটাররা। যখন এলাকার মানুষ সুখে-দুঃখে কাঁদছিল, তখন তাদের পাশে পাওয়া যায়নি। ধানের ভেতরে যেমন কিছু চিটা থাকে যা কোনো কাজে আসে না, ঠিক তেমনি ভোটের মৌসুমে হঠাৎ গজিয়ে ওঠা এই প্রার্থীরাও যেন সাময়িক হুজুগ মাত্র। এদেরকে চেনা বড় কঠিন হলেও কাজের বেলায় এরা শূন্য।অধিকার ও যোগ্যতার লড়াই:আজ রায়েন্দা ইউনিয়নের প্রতিটি সচেতন নাগরিকের মনে একটাই প্রশ্ন—যিনি দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে নিজের খেয়ে আমাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হলেন, আজ যখন ওনার অধিকার এসেছে এই ইউনিয়নের নেতৃত্ব দেওয়ার, তখন কি আমরা অন্য কাউকে বেছে নেব? এলাকার সর্বস্তরের মানুষের দাবি, এই চেয়ারের প্রকৃত হক এবং প্রাপ্য একমাত্র ওনারই। ওনাকে বাদ দিয়ে এই ইউনিয়নে যোগ্যতার বিচারে দাঁড়ানোর মতো দ্বিতীয় কোনো ব্যক্তি নেই।তাই সাময়িক কোনো প্রলোভনে পা না দিয়ে, বসন্তের কোকিলদের বর্জন করে রায়েন্দা ইউনিয়নের উন্নয়ন, ন্যায়বিচার এবং সুন্দর ভবিষ্যতের স্বার্থে যোগ্য মানুষ আলহাজ্ব ফরিদ উদ্দিন মানিক ভাইয়ের হাতকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ।------------------------------